নীতি - Policy

শিক্ষার্থী/ অভিভাবক এর জন্যঃ

১। প্রথমে বাংলাদেশ অনলাইন স্কুলে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।

২। শিক্ষক নির্ধারন করার পর, নির্ধারিত মাসিক ফী জমা দিয়ে ক্লাস শুরু করতে হবে।

৩। মাসের প্রথমে পড়া শুরু করলে ভালো। (৫ তারিখ এর আগে)। কিন্তু মাসের মাঝে পড়া শুরু করলে যতদিন পড়াবে ঐ অনুযায়ী বেতন দিতে হবে। যেমন কেউ হয়ত সপ্তাহে ৩ দিন পড়বে তাহলে এক মাসে আছে ১২ দিন। ধরে নেয়া যাক মাসিক ফী ১২০০ টাকা । তাহলে প্রতিদিন এর বেতন আসে ১০০ টাকা। কেউ শেষ ৩ টি ক্লাস করলে ৩০০ টাকা প্রদান করতে হবে।

৪। শিক্ষার্থী যে কোন কারনেই ক্লাস মিস করুক না কেন, তার জন্য শিক্ষক এর বেতন থেকে টাকা কাটার কোন সুযোগ নেই। কিন্তু রেকর্ড ক্লাস দেখে নিতে পারবেন।

৫। যদি শিক্ষার্থী ক্লাসে উপস্থিত থাকে কিন্তু শিক্ষক উপস্থিত না থাকে এবং কোন রিপ্লেস ক্লাসও না নেয় তাহলে ঐ দিনের শিক্ষক এর বেতন কাটা যাবে এবং সমপরিমান বেতন শিক্ষার্থীদের কম দিতে হবে।

৬। শিক্ষক এর পড়ানো ভালো না লাগলে, শিক্ষক পরিবর্তন করা যাবে ১ মাস পড়েই। কিন্তু পড়া শুরু করলে ১ মাস পড়তে হবে। পড়া শুরু করে ১ দিন পড়লেও সম্পূর্ন মাসের বেতন দিতে হবে। যদি বিশেষ কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়, তাহলে শিক্ষক এর বিপক্ষে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়ে শিক্ষিক পরিবর্তন করে দেয়া হবে।

৭। মাসিক বেতন বিকাশ মার্চেন্ট নাম্বার (০১৬২০৪০৫৭৫৬) এর মাধ্যমে খরচসহ অবশ্যই অগ্রীম প্রদান করতে হবে, মাসের ১-৫ তারিখ এর মধ্যে। অন্যথায় ক্লাস এর কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।সেই ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট শিক্ষক এর কিছু করার সুযোগ নেই।

৮। শিক্ষা পদ্ধতির মধ্যে কোনো পরিবর্তন লাগলে সেটা আমাদের  ডিপার্ট্মেন্টকে জানাবেন, প্রয়োজন মনে করলে সেটা আমরা শিক্ষককে জানিয়ে দিবো।

৯। শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর মধ্যে সম্মানজনক সম্পর্ক থাকবে। কোনো প্রকার ব্যক্তিগত যোগাযোগ থাকবে না। যে কোনো সমস্যা হলে সেটা WhatsApp গ্রুপে আলোচনা করবেন অথবা ক্লাসরুমে। যেহেতু ক্লাস এর প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত রেকর্ড করা থাকবে তাই সবই ডিপার্ট্মেন্ট এবং অভিভাবক এর চোখের সামনে থাকবে।ব্যক্তিগত যোগাযোগ না করার জন্য নিষেধ করা হলো। কারন অনেক মানুষ এই প্লাটফর্ম এর মাধ্যমে সংযুক্ত সবাইকে নিয়ন্ত্রন করা কঠিন হবে, যদি সেটা ব্যক্তি পর্যায়ে হয়। কোনো অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটলে সেটার দায়ভার প্রতিষ্ঠান এর উপরও বর্তায় যদিও প্রতিষ্ঠান এর কোনো হাত  থাকে না। নিষেধ করার পরো ব্যক্তিগত পর্যায়ে যোগাযোগ হলে সেটার দায়ভার প্রতিষ্ঠান বহন করবে না।উভয় পক্ষ আমাদের দৃষ্টিকোন থেকে, বাংলাদেশ অনলাইন স্কুল এর আইন ভঙ্গকারী হিসেবে গন্য হবে।

১০। বাংলাদেশ অনলাইন স্কুল এর শিক্ষার্থীরা আমাদের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের কোর্স (Lilac Education, LDE , KQSL , LSB , LSI , LCDC , CWBL) অথবা সার্ভিস ( Lilac Group) নেয়ার জন্য আর রেজিস্ট্রেশন লাগবে না। লিলাক-গ্রুপ এর সকল ফ্রী সার্ভিসগুলো নিতে পারবে।

১১। আমাদের শিক্ষার্থী থাকা অবস্থায়ও শিক্ষক হতে পারবে।যেমন ধরে নিলাম কেউ একজন, ক্লাস ১১-১২ এর সাইন্স এর ভালো শিক্ষার্থী,সে হয়ত আমাদের শিক্ষকদের কারো কাছে পদার্থ বিজ্ঞান পড়ে ।সে কিন্তু চাইলেই  ৫ম শ্রেনীর কাউকে পড়াতে পারে।

১২। ৩,৬,১২ মাস পর পর ক্লাস এর পরীক্ষার বাইরেও বাংলাদেশ অনলাইন স্কুল এর বৃত্তি পরীক্ষা হতে পারে।বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ গ্রহন এর জন্য অবশ্যই আমাদের প্রতিষ্ঠান এর ৩ মাসের চলমান শিক্ষার্থী হতে হবে।

 
 
শিক্ষকদের জন্যঃ

১। প্রথমে বাংলাদেশ অনলাইন স্কুলে শিক্ষক হিসেবে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।

২। রেজিস্ট্রেশন এর ৩ কার্যদিবস এর মধ্যে ওয়েবসাইটে পোর্টফলিও দেয়া হবে এবং পড়ানোর সময় দেয়া হবে।

৩। রেজিস্ট্রেশন মানেই যে শিক্ষার্থী পাওয়া যাবে এমন ভাবার সুযোগ নেই। শিক্ষার্থীকে প্রথম দিন ডেমো ক্লাস দিতে হবে, কেউ আগ্রহী হলে। ডেমো ক্লাস দেয়ার জন্য সপ্তাহে একটি নির্দিষ্ট দিন নির্ধারন করে রাখবেন।

৪।শিক্ষার্থী আগ্রহ প্রকাশ করলে পেমেন্ট দিয়ে ক্লাস শুরু করতে পারবেন। আমরা বেতন দিবো মাস শেষ করার পর, প্রতি মাসের ৫ তারিখে বিকাশের মাধ্যমে। আমরা শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অগ্রিম বেতন নিয়েই ভর্তি করাবো তাই বেতন না পাবার কোন সুযোই নেই যদি আপনি যথাযথভাবে পড়ান।

৫। বিষয়ভিত্তিক টেকস্ট বই পড়ানোর জন্য শিক্ষক, মাসিক ৮০% টাকা পাবেন, প্রতিষ্ঠান ২০% পাবে এবং কোর্স এর জন্য মাসিক ৬০% শিক্ষক পাবেন এবং ৪০% প্রতিষ্ঠান। তাছাড়া বাংলাদেশ অনলাইন স্কুলে শিক্ষকতার বয়স ৬ মাসের বেশি হলে এবং শিক্ষার্থীদের রিভিউ ভালো হলে স্থায়ী শিক্ষক হিসেবে ধরা হবে। স্থায়ী শিক্ষকগণ, বাংলাদেশ অনলাইন স্কুলের নানা ধরনের সুবিধা পাবেন। যেমনঃ BOS এর মাসিক আয় এর ২% সকলের মধ্যে ভাগ করে দেয়া হবে অথবা এই অর্থ দিয়ে শিক্ষা সফর এর ব্যবস্থা করা হবে ( ডিপান্টমেন্ট এর সীদ্ধান্ত অনুযায়ী)

৬। শিক্ষার্থী যে কোন কারনেই ক্লাস মিস করুক না কেনো, তার জন্য শিক্ষক এর বেতন থেকে টাকা কাটার কোন সুযোগ নেই। কিন্তু রেকর্ড ক্লাস ডিপার্ট্মেন্ট ও শিক্ষার্থীদের দিতে হবে।ক্লাসে কেউই না থাকলে ক্লাস রেকর্ড করে দিতে হবে।অথবা ক্লাস অন্যদিন নেয়া যাবে। শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং ডিপার্ট্মেন্ট এর অনুমতি সাপেক্ষে।কিন্তু ক্লাসের সময় পরিবর্তন না করাই ভালো, বিশেষ কোন কারন ছাড়া।

৭।যদি শিক্ষার্থী ক্লাসে উপস্থিত থাকে কিন্তু শিক্ষক উপস্থিত না থাকে এবং কোন রিপ্লেস ক্লাসও না নেয় তাহলে ঐ দিনের শিক্ষক এর বেতন কাটা যাবে এবং সমপরিমান বেতন শিক্ষার্থী কম দিবে।

৮।শিক্ষার্থীকে পড়াতে ভালো না লাগলে বা  অন্য কোনো সমস্যায় শিক্ষার্থী পড়ানো ছেড়ে দিলে (মাঝ পর্যায়ে)। ঐ শিক্ষার্থী অথবা ব্যাচ এর কোনো বেতনই পাওয়া যাবে না।শিক্ষক ডিপার্ট্মেন্ট এবং শিক্ষার্থীদের অনুমতি সাপেক্ষে, নিজ দ্বায়িত্বে, অন্য শিক্ষককে দিয়ে ক্লাস করালে,বেতন পাবেন। কিন্তু ডিপার্ট্মেন্ট বাধ্য হয়ে শিক্ষক পরিবর্তন করলে কোনো অর্থই প্রদান করা হবে না ,সেটা ১২ দিনের মধ্যে ১১দিন হলেও। কিন্তু শিক্ষার্থী অনৈতিক কোনো আচরন করলে, সেটা আমাদের প্রমান সহকারে জানাতে হবে, তাহলে এই নিয়ম প্রযোজ্য হবে না।

৯। শিক্ষার্থীর ,শিক্ষক এর পড়া ভালো না লাগলে,মাস শেষে পরিবর্তন করতে পারবেন। একইভাবে শিক্ষক এর যদি, কোনো শিক্ষার্থীকে পড়াতে ভালো না লাগে, তাহলে ১ মাস আগে জানাতে হবে।

১০।শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর মধ্যে সম্মানজনক সম্পর্ক থাকবে। কোনো প্রকার ব্যক্তিগত যোগাযোগ থাকবে না। যে কোনো সমস্যা হলে সেটা WhatsApp গ্রুপে আলোচনা করবেন অথবা ক্লাসরুমে। যেহেতু ক্লাস এর প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত রেকর্ড করা থাকবে তাই সবাই ডিপার্ট্মেন্ট এবং অভিভাবক এর চোখের সামনে থাকবেন।ব্যক্তিগত যোগাযোগ না করার জন্য নিষেধ করা হলো।কারন অনেক মানুষ এই প্লাটফর্ম এর মাধ্যমে সংযুক্ত, সবাইকে নিয়ন্ত্রন করা কঠিন হবে, যদি সেটা ব্যক্তি পর্যায়ে হয়। কোনো অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটলে সেটার দায়ভার প্রতিষ্ঠান এর উপরও বর্তায়, যদিও প্রতিষ্ঠান এর কোনো হাত  থাকে না। নিষেধ করার পরো ব্যক্তিগত পর্যায়ে যোগাযোগ হলে সেটার দায়ভার প্রতিষ্ঠান বহন করবে না।উভয় পক্ষ আমাদের দৃষ্টিকোন থেকে, বাংলাদেশ অনলাইন স্কুল এর আইন ভঙ্গকারী হিসেবে গন্য হবেন।

১১। বাংলাদেশ অনলাইন স্কুল এর শিক্ষার্থীরা আমাদের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের কোর্স (Lilac Education, LDE , KQSL , LSB , LSI , LCDC , CWBL) অথবা সার্ভিস ( Lilac Group) নেয়ার জন্য আর রেজিস্ট্রেশন লাগবে না। লিলাক-গ্রুপ এর সকল ফ্রী সার্ভিসগুলো নিতে পারবেন।

১২। চাকরি করা অথবা অন্যান্য বৈধ পেশায় থাকা অবস্থায়ও শিক্ষক হওয়া যাবে। ভিতরে শিক্ষা থাকলে সেই আলো ছড়ানোর সুযোগ সবাই পাবেন।

১৩। প্রতি বছর শ্রেষ্ঠ শিক্ষক (১ জন) এর পুরষ্কার হিসেবে ১ লক্ষ থেকে ১০ লক্ষ টাকা পুরষ্কার হিসেবে দেয়া হতে পারে। (অনির্ধারিত)

১৪। ক্লাস অবশ্যই অনলাইনে নিতে হবে, আমাদের ক্লাস পদ্ধতি ব্যবহার করে।প্রতিটা ক্লাস এর রেকর্ড, ক্লাসরুম (google classroom) এর ভিতর শিক্ষার্থীদের দিতে হবে এবং ডিপার্ট্মেন্টকে দিতে হবে।

১৫। Google sheet এ নিজের এবং শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি দিতে হবে।যা ডিপার্ট্মেন্ট যেকোনো সময় অথবা মাস শেষে দেখবে।

১৬। বিষয়ভিত্তিক ক্লাসে, মাসের প্রথমে পড়া শুরু করলে ভালো। (৫ তারিখ এর আগে)। কিন্তু মাসের মাঝে পড়ানো শুরু করলে যতদিন পড়াবেন, ঐ অনুযায়ী বেতন পাবেন। যেমন কেউ হয়ত সপ্তাহে ৩ দিন পড়বে, তাহলে এক মাসে আছে ১২ দিন। ধরে নেয়া যাক মাসিক বেতন ১২০০ টাকা ।তাহলে প্রতিদিন এর বেতন আসে ১০০ টাকা। কেউ শেষ ৩ টি ক্লাস করলে ৩০০ টাকা বেতন দিবে। এর মধ্য থেকে ডিপার্ট্মেন্ট এর ২০% বাদ দিলে , শিক্ষক পাবেন ২৪০ টাকা।